মিষ্টি দই

মিষ্টি দই

মিষ্টি দই

রেসিপি ও ছবিঃ আনার সোহেল

উপকরণ: দুই লিটার তরল ফুল ক্রিম দুধ
গুঁড়া দুধ ১/২ কাপ
কনডেন্সড মিল্ক ১ টিন ও ১ কাপ চিনি (চিনি যতটুকু মিষ্টি নিতে চান সে পরিমাণ দিবেন)
হালকা বাদামী ক্যারামেল এক টে চামচ (চিনি দিয়ে ক্যারামেল করে নিন)
টক দই পানি ঝড়ানো এক কাপ (নরমাল তাপমাত্রার)
দই বসানোর পাত্র (কাচেঁর বাটি, মাটির বাটি বা সিরামিকের বাটি অথবা হট বক্স নিতে পারেন)

তৈরি করার নিয়মঃ প্রথমে পাত্রে দুধ নিয়ে চুলায় জ্বাল দিয়ে কয়েকবার বলক তুলে নিন। এবার কাপে কিছু গরম দুধ নিয়ে তাতে গুঁড়া দুধ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে পাত্রের দুধে মিশিয়ে নিন। এবার কনডেন্সড মিল্ক ও চিনি স্বাদ মত দিয়ে নেড়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। কয়েকবার বলক তুলে নামিয়ে নিন।এবার ক্যারামেল দিয়ে নেড়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। এবার হালকা কুসুম গরম হয়ে আসার জন্য অপেক্ষা করুন। তারপর দুধ হালকা কুসুম তাপমাত্রায় হয়ে আসলে অর্থাৎ আঙুল দিয়ে চেক করে দেখুন সহ্য করার মত গরম কিনা। তখন দই ভাল করে ফেটে নিয়ে দুধে নেড়ে মিশিয়ে দিন। হাত বিটার দিয়ে মিশিয়ে নিন। বেশী ফেটতে হবে না। এবার যে পাত্রে দই বসাবেন সেই বাটিতে অল্প দই নিয়ে তলায় লাগিয়ে দিন এবং দই মিশানো দুধ ঢেলে নিন। হট বক্সে ঢাকনা দিয়ে আটকে দিয়ে ১০-১২ ঘন্টা গরম জায়গায় রেখে দিন বা দই জমে যাওয়া পর্যন্ত। আমি কম্বল দিয়ে ঢেকে রেখে ছিলাম। একদম নড়াচড়া করা যাবে না দই জমে না যাওয়া পর্যন্ত। রাতে বসালে সকালে ১০ টায় চেক করে দেখুন। জমে গেলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

টিপস:
১. দই জমে না যাওয়া পর্যন্ত নড়াচড়া করা যাবে না। না হয় দই জমবে না।
২. দুধ জ্বাল দিয়ে একটু ঘন করতে হবে।
৩. দই ওভেন ছাড়া ও গরম জায়গায় ভাড়ি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখলে ১০-১২ ঘন্টায় জমে যাবে বা গরম চুলার পাশে ঢেকে রেখে দিন জমে যাওয়া পর্যন্ত।
৪. কম্বল দিয়ে ঢেকে গরম জায়গায় রেখে দিন।
৫. দই পানি ঝরানো এবং রুম তাপমাত্রার হতে হবে।

রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা একটি ওয়েব ম্যাগাজিন। রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা, ঘুড়ি এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। “রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা“ হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গল্প ও কবিতার ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমাদের ওয়েবসাইটটি দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভারত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে যেতে সক্ষম হয়েছে।