ম্যাংগো পান্না কোট্টা

ম্যাংগো পান্না কোট্টা

ম্যাংগো পান্না কোট্টা

রেসিপি ও ছবিঃ হেলেনা পারভিন রুমা

উপকরণঃ পাকা আম ২ টি মাঝারি সাইজের
আগার আগার পাউডার ৪ চা চামচ (হালাল জিলেটিন অথবা চায়না গ্রাস ও ব্যবহার করতে পারেন)
ফুল ক্রিম দুধ ১ কাপ
ক্রিম ১ কাপ
চিনি ১/২ কাপ
ভ্যানিলা এসেন্স ২-৩ ফোঁটা

তৈরি করার নিয়মঃ প্রথমে আম ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে চিপে রস বের করে একটি চালনিতে ছেঁকে নিন। যাতে করে আমের আঁশ আলাদা হয়ে যায়। ২টি আম থেকে আমার ২ কাপ রস বের হয়েছে। একটি পাত্রে ২ চা চামচ আগার আগার পাউডার নিয়ে তাতে ২ চা-চামচের মতো গরম পানি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণে আমের রস দিয়ে আবার ভালো করে মিশিয়ে চুলায় পাঁচ মিনিট জ্বাল দিন। আমার আমগুলো অনেক মিষ্টি ছিল তাই কোন চিনি দেইনি। আপনাদের যদি মনে হয় আম কম মিষ্টি তাহলে স্বাদ অনুযায়ী চিনি দিতে পারবেন। এখন একটি সার্ভিং গ্লাসকে আড়াআড়ি ভাবে একটি বাটি অথবা পাউন্ড কেকের মোল্ডের ওপর বসিয়ে তারপর গ্লাসে আম এবং জেলাটিনের মিশ্রণটি একটি চামচ দিয়ে ধীরে ধীরে ঢালতে হবে। ঠিক এই অবস্থায় সার্ভিং গ্লাসটিকে দুই ঘণ্টার জন্য নরমাল ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ভালোভাবে সেট হওয়ার জন্য। এবার সসপ্যানে দুধ নিয়ে চুলায় জ্বাল দিয়ে যখন দুধ ফুটতে শুরু করবে

ম্যাংগো পান্না কোট্টা

তখন এতে ২ চা-চামচ আগার আগার পাউডার দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে চিনি দিয়ে দিতে হবে যখন চিনি এবং আগার আগার পাউডার গলে গিয়ে ভালো করে দুধের সাথে মিশে যাবে তখন এতে ক্রিম দিতে হবে। দুধ একটু ঘন হয়ে আসলে ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে একটু নেড়ে চুলা বন্ধ করে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে নিন। এখন নরমাল ফ্রিজে রাখা গ্লাস বের করে মোল্ড থেকে উঠিয়ে সোজা ভাবে রেখে গ্লাসে দুধ-ক্রিমের মিশ্রণটি ধীরে ধীরে ঢেলে গ্লাসটি আবার দুই ঘণ্টার জন্য নরমাল ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ভালোভাবে সেট হওয়ার জন্য। দুই ঘন্টা পর গ্লাস নরমাল ফ্রিজ থেকে নামিয়ে উপরে কিছু আমের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ম্যাংগো পান্না কোট্টা। এই পরিমাপে আমার মাঝারি তিন গ্লাস পান্না কোট্টা হয়েছে।

রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা একটি ওয়েব ম্যাগাজিন। রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা, ঘুড়ি এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। “রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা“ হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গল্প ও কবিতার ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমাদের ওয়েবসাইটটি দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভারত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে যেতে সক্ষম হয়েছে।