লবঙ্গ লতিকা

লবঙ্গ লতিকা

রেসিপি ও ছবিঃ ফাতেমা রহমান

উপকরণঃ কুরানো নারিকেল ২কাপ
চিনি ১/২ কাপ বা আপনার পছন্দমত
মাখন, ঘি ও তেল ১/২ টেবিল চামচ ও ২ টেবিল চামচ
এলাচ ২ টি
দারুচিনি ১টি স্টিক
লবঙ্গ ১০ -১৫ টি
ময়দা ১ কাপ
লবণ ১/২ চা চামচ
গরম পানি প্রায় ১/২ কাপ বা এর চেয়েও কম
তেল ডুবো তেলে ভাজার জন্য

রান্না করার নিয়মঃ একটি প্যানে ১/২ টেবিল চামচ ঘি/তেল দিয়ে মাঝারি তাপে গরম করুন। এখন তেলে এলাচ ও দারুচিনি দিয়ে তা হাল্কা ভেজে নিন। এরপর নারিকেল, চিনি এবং লবণ দিয়ে মেশান এবং মাঝারি তাপে রেখে দিন। মাঝে মাঝে নারিকেলের মিশ্রণটা নাড়তে হবে। মিশ্রণটা থেকে পানি শুকিয়ে ঝরঝরা হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে রেখে দিন। খামির তৈরির জন্য একটি বাটির মধ্যে ময়দা, ২ টেবিল চামচ ঘি/তেল আর লবণ নিন এবং ভাল ভাবে মেশান। তারপর এতে ধীরে ধীরে গরম পানি দিন এবং ভালো করে মাখাতে থাকুন। খামির তৈরি হয়ে গেলে তা ছোট ছোট বলে ভাগ করুন। এখন একটি বল রুটি বেলার পিঁড়িতে নিয়ে নিয়ে ছোট আকারের রুটি তৈরি করুন। রুটি তৈরির সময় প্রয়োজনে ময়দা ব্যবহার করুন। এখন রুটির ধার একটি ছুরি দিয়ে কেটে বর্গাকার করে নিন। এবার রুটির মাঝ বরাবর অল্প পরিমাণ নারকেলের মিশ্রণ রেখে রুটির প্রতিটি কোণা চারপাশ থেকে ভাজ করে মাঝখানে নিয়ে আসুন এবং মাঝখানে একটি লবঙ্গ দিয়ে ভাজগুলো আঁটকে দিন। লবঙ্গ এমন ভাবে ঢোকাবেন যেন এর উপরের অংশটা বাইরে থাকে। একই ভাবে বাকি পুলিগুলি তৈরি করে ফেলুন। একটি প্যানে তেল গরম করুন। গরম তেলে একটি পুলি ছেড়ে দিন। যদি এটি কয়েক সেকেন্ডের জন্য তেলে ডুবে গিয়ে আবার উপরে উঠে আসে তাহলে বুঝবেন তেল পুরোপুরি গরম হয়েছে। এরপর তেলে আরও কয়েকটি পুলি দিন এবং পুলির উভয় পাশে সুন্দর বাদামি রং আসা পর্যন্ত ধীরে ধীরে ভাজতে থাকুন। পুলি ভাজা হয়ে গেলে প্যান থেকে তুলে একটি পেপার টাওয়ালের (টিস্যু) উপর রাখুন। বাকি পুলিগুলোও একই ভাবে ভেজে পরিবেশন করুন।

রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা একটি ওয়েব ম্যাগাজিন। রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা, ঘুড়ি এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। “রেসিপি.ঘুড়ি.বাংলা“ হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গল্প ও কবিতার ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমাদের ওয়েবসাইটটি দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভারত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে যেতে সক্ষম হয়েছে।